Search This Blog

Tuesday, 24 December 2019

What is computer ? Or What do you mean by computer ? Give Description about Computer.

What is computer ? Or What do you mean by computer ? Give Description about Computer. 

Ans. A computer is an automatic electronic machine. It Helps use in calculation and information processing. Charles Babbage a professor of mathematics thought of it first create on research in 1930. But his machine called the Analytical Engine was never completed. Then the professor of mathematics Hard Word H Akin got the idea and invented the first computer.  It was mechanical computer called Mark-1. It first work 21, June in 1947. 

What is computer  Or What do you mean by computer  Give Description about Computer.; What is RAM; What is CPU; System Software; What is a computer virus; What is moterboard; what is computer programming; what is computer system; what is computer hard ware; 







There are two unit of computer. there are - 
1. Hardware                      2. Software 

1. Hardware : Hardware is the name of every device and parts of infrastructure.  
2. Sofware : The programs into the computer is software. 

Classification of Computer : 3 types of computer according to type of work and scope. There are 

     1. Analog Computer           2. Digital Computer        3. Hybrid Computer

* There are 4 kinds of Digital computer. There are- 

    1. Super Computer            2. Mainframe Computer    3. Personal Computer   4. Micro Computer

Work of the Super Computer : This type computer for Space Research. 
Work of Mainframe Computer : Mainframe computer for big and biggest factory. 
Personal Computer for use personally or official use. 
* Micro Computer or small computer for personal use. This type computer is mini computer. 

Useful devices and parts of computer
1. Keyboard 2. Mouse, 3. Monitor, 4. CPU or System box, Printer, Scanner, Light etc. 

Retail Parts of computer : 
Processor, RAM, Hard Disc, Motherboard, Cooling fan, power supply, Graphics Card etc. 

Memory and storage device of computer : 

RAM, Hard Disc etc is storage device is computer. 

Version of RAM : 
DDR, DDR2, DDR3, DDR4 and update version. 

Hard Disc Types : 
HDD is Hard Disc Drive. And SSD Hard Disc is update version. 

There are many types of computer Software : See the example about software. 
Operation System Software, Office Software, Graphics Software, programming software, security software etc, Internet Browsing Software. 

Operating System Software : Windows XP, Windows Vista, Windows 7, Windows Server, Windows 8, Windows 8.1, Windows 10, Windows 11, Windows 12 and 13, Linux, OS, MS Dos is the example of Operating System Software. 

Office Software : Microsoft Office (MS Word, MS Excel, MS PowerPoint, Publisher, Outlook, MS Access, PDF Converter etc. 

Graphics Software : Photoshop 1, Photoshop 2 to 10, Photoshop CS, Photoshop CC etc. 

Programming Software : Visual Basic, Visual Studio, Android Apps Design software etc. 

Security or Antivirus Software : Kaspersky, AVAST, AVG, Norton, AVIRA, Bitbinder, 360 Security, Eset, Escan etc. 

Internet Browsing Software : Internet Explorer, Mozilla Fire Fox, Google Chrome, UC Browser, Opera Browse, Avant Browser etc. 

Media Player Software : QQ Player, VLC, Windows, KM Player, GomPlayer, RealPlayer etc. 

Thank you very much for visit our website. 


Wednesday, 11 December 2019

Database Management System

Database Management System- ডাটাবেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম কি, ডাটাবেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম কাকে বলে ? 

What is database management system, ডাটাবেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম কি, ডাটাবেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম কাকে বলে তা বিস্তারিত জানবো ইনশাল্লাহুল আজিজ।

Database Management System- dbms; Database Management; dbms; rdbms; cmdb; Database Management System example; ডাটাবেস ম্যানেজমেন্ট; ডাটাবেস মানেজমেন্ট সিস্টেম;


উত্তরঃ ইংরেজি  'Data' শব্দের অর্থ উপাত্ত এবং ইংরেজি ‘Base' এর বাংলা হলো ঘাঁটি। সুতরাং 'Database' শব্দের অর্থ হচ্ছে কোন বিষয় সম্পর্কিত বিষয়ের উপাত্তের ব্যাপক সমাবেশ। কোন বিষয়ের ব্যাপক ও বিশাল তথ্যের ভান্ডারকে Database বলা হয়ে থাকে। অনেকগুলি তথ্য, উপাত্তের সংগ্রহ যা বিভিন্ন প্রকার ব্যবহারিক কাজে ব্যবহৃত হয় তাই হচ্ছে ডাটাবেস। যে কোন ধরনের প্রতিষ্ঠান দ্রুত ও সঠিক কোন সিদ্ধান্ত নিতে গেলে উপযুক্ত তথ্য উপাত্ত সংগ্রহের বিকল্প কোন পথ নাই। ডাটাবেস (Database) হচ্ছে একটি ডাটা গুচ্ছ, যা নির্দিষ্ট কোন বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত থাকে এবং এক বা একাধিক ডাটা টেবিলে ভাগ করা থাকে। যেমন- টেলিফোন ইনডেক্স, ডায়েরা প্রভৃতি। কোন কারখানার শ্রমিকদের হাজিরা সংক্রান্ত তথ্য ভান্ডার বা তথ্য সমাবেশ হচ্ছে ঐ প্রতিষ্ঠানের ডাটাবেস। আবার কোন শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানের ছাত্র/ছাত্রীদের বিভিন্ন তথ্য ভান্ডার হলো ঐ শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানের ডাটাবেস। আবার কোন কোন প্রতিষ্ঠানের বেতন, বোনাস, হাজিরা, পেনশন ইত্যাদি সংগ্রহ কৃত তথ্য সমাবেশ হচ্ছে ঐ প্রতিষ্ঠানের বেতন, বোনাস, হাজিরা, পেনশন ইত্যাদি সংক্রান্ত ডাটাবেস (Database).  এক সাথে সংরক্ষিত অনেকগুলি ডাটাবেসকে ডাটা ব্যাংক (Data Bank) বলা হয়ে থাকে। ডাটাবেসের প্রধান উপাদান গুলি হচ্ছে টেবিল, কলাম ইত্যাদি অনুযায়ী সংরক্ষণ করা হয়ে থাকে। 

একটি কারখানায় যদি শ্রমিকদের তথ্য কোন ডাটাবেসে সংগ্রহ করা থাকে তবে, সে প্রতিষ্ঠানের ডাটাবেস গুলি এভাবে হতে পারে ঃ 

ক্রমিক নং              নাম                   কার্ড নং-             মোট হাজিরা                  স্যালারি
১.                        আব্দুল্লাহ               ১৩২২৩২                ৩০                              ১০,০০০ 
২.                      আব্দুল মোত্তালিব   ১৩২২৩৩                ৩০                              ১০,০০০ 
আবার কোন বিদ্যালয়ের ছাত্র ছাত্রীদের তথ্য থাকে তবে তথ্য গুলি এভাবে থাকতে পারে ঃ- 
ছাত্র ছাত্রীর নাম             রোল নম্বর            শ্রেণী
আব্দুল্লাহ                                ১                    ৬ষ্ঠ 
আব্দুর রহমান                        ২                    ৬ষ্ঠ                       
আবু হোরায়রাহ                     ৩                    ৭ম
আনাস বিন আল আমিন       ৪                    ৭ম
ওসমান গণি                          ৫                    ৮ম  

আবার কোন গামেন্ট্স এর যন্ত্রপাতি সংক্রান্ত তথ্যাদি বা ডাটাবেস হয় থাকে তাহলে এরকম হতে পারেঃ- 
ক্রমিক নং-       বিবরণ                     পরিমাণ            ইউনিট টাকা            মোট টাকা
     ১.            সুঁইং মেশিন                  ১,০০০টি           ১,০০,০০০             ১০,০০,০০০
     ২.      ওভার লক মেশিন                ২টি                 ১,৫০,০০০              ৩,০০,০০০
    ৩.          ওয়াশিং মেশিন                 ২টি                 ২,০০,০০০              ২,০০,০০০

উপরোক্ত নিয়মে বা অন্যান্য নিয়মে ডাটা সাজানো থাকতে পারে। 

Database Management System (DBMS) - ডাটাবেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম কি বা কাকে বলে ? 

উত্তর : Database Management System (DBMS) - ডাটাবেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম  হলো কত গুলো ডাটাবেস তৈরি, সংরক্ষণ, এবং উক্ত ডাটার উপর বিভিন্ন কার্য সম্পাদন এর ব্যবহৃত প্রোগ্রাম সমূহের সমষ্টিকে Database Management System (DBMS) - ডাটাবেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম বলে। ডাটাবেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম - Database Management System (DBMS) ডাটাবেস তৈরি, সংরক্ষণ, আধুনিকীকরণ, নিয়ন্ত্রণ, রক্ষণাবেক্ষণ ইত্যাদি কাজ করার জন্য ব্যবহার করা হয়ে থাকে। ডাটাবেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম ও ব্যবহার কারীদের মধ্যে সমন্বয় সাধন করে থাকে। 

What is Database Management System (DBMS) ? - ডাটাবেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম প্রোগ্রাম গুলি নাম কি কি ? 

উত্তর : 
(i) Microsoft Foxpro
(ii) Dbase
(iii) Microsoft Visual Basic
(iv) Microsoft Visual Foxpro
(v) 4D
(vi) S. Q. L
(vii) Microsoft Access
(viii) Delphi
(ix) Power Builder
(x) Informix
(xi) Oracla
(xii) HTML
(xiii) XML
(xiv) Oracle
(xvi) Java
(xvii) File Maker Pro
(xvii) Paradox etc. 

Primary Works of Database Management System (DBMS) - ডাটাবেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম এর প্রাথমিক কার্যাবলী  কি কি ? 
উত্তরঃ 
১. ডাটাবেস তৈরি করা (Make Database)।
২. নতুন ডাটাবেস তৈরি করা (Add New Record in Database)
৩. ডাটাবেসের ভূল সংশোধন করা (Correction of wrong database)
৪. ডাটা কুয়েরী করা (Data Query) 
৫. ডাটাবেস সম্পাদন করা (Data Editing) 
৬. কোন নির্দিষ্ট ডাটা অনুসন্ধান করা (Search any fixed data)
৭. রিপোর্ট তৈরি করা (Report Making or preparing)
8. রিপোর্ট প্রিন্ট করা (Report Printing) etc. 

Sunday, 8 December 2019

Computer Network

Computer Network - কম্পিউটার নেটওয়ার্ক বা ইন্টারনেট (Internet) কি বা কাকে বলে 

কম্পিউটার নেটওয়ার্ক বা ইন্টারনেট (Computer Network) বলতে বুঝায় এক কম্পিউটারের সাথে অন্য কম্পিউটারের আন্ত:সংযোগ স্থাপন, তথ্য আদান-প্রদান ইত্যাদি। এর ফলে তথ্য, বিভিন্ন ফাইল পত্র, ডেটা ইত্যাদি এক কম্পিউটারের থেকে অন্য কম্পিউটারে দ্রুত গতিতে(Swiftly) এবং খুব কম সময়ে আদান করা যায়। এই সর্বাধুনিক পদ্ধতি ব্যবহারের ফলে মানুষের কাজের গতিকে বহু গুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। এটা যেমন ব্যক্তি পর্যায়ে সুযোগ সুবিধা সৃষ্টি করেছে তেমনি ব্যবসায়সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যাপক অগ্রগতি সাধন করেছে। এতে ব্যক্তিগত যোগাযোগ, তথ্য আদান-প্রদান, ব্যবসায়িকসহ বিভিন্ন তথ্যাদি সহজে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে মুহুর্তের মধ্যে পৌঁছানো সম্ভব হয়েছে। এই তথ্য আদান প্রদানের ক্ষেত্রে বিভিন্ন রকম মাধ্যম ব্যবহার করা হয়ে থাকে। যেমন- ই-মেইল, ল্যান শেয়ারিং, অনলাইন ব্যাংকিং সহ বিভিন্ন মাধ্যম। এতে করে মানুষের পরিশ্রমের পরিমাণ কমেছে, খরচ কমেছে, সময় বেঁচেছে। এই যোগাযোগ ( Communication ) স্থাপনের জন্য বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে আর তাতে অনেক লোকের নতুন কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হয়েছে। আবার এর জন্য বিভিন্ন ব্যক্তি বা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান সোস্যাল মিডিয়া, সফটওয়্যার, এ্যাপস ইত্যাদি উদ্ভাবন করেছে। সেখানেও আবার নতুন কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হয়েছে। এতে করে ক্রেতা এবং ভোক্তা দুই জন-ই লাভবান হয়েছে আবার শ্রমিক কর্মীরাও। নিচে কম্পিউটার নেটওয়ার্ক বা ইন্টারনেট (Computer Network) বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করব ইনশাল্লাহুল আজিজ। 

Computer Network, Local Area Network, Wide Area Network, Lan, Man, Pan, Wan, Personal Area Network; Wifi Router, Switch



কম্পিউটার নেটওয়ার্ক বা ইন্টারনেট ব্যবহার বা উদ্দেশ্য (Use of computer network or internet)

১. তথ্য বিনিময় (information sharing) : নেটওয়ার্ক সংযোগকৃত এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে তথ্য আদান-প্রদান করা যায়।

২. হার্ডওয়্যার রিসোর্স  শেয়ারিং (Hardware Resource Sharing) : এক কম্পিউটারের সাথে যুক্ত অন্য কম্পিউটারের সাথে যুক্ত করা যায়। যেমন- মডেম, প্রিন্টার ইত্যাদি হার্ডওয়্যার রিসোর্স শেয়ারিং এর মাধ্যমে অন্য কম্পিউটারের প্রিন্টার মডেম ইত্যাদি আরেক কম্পিউটারের ব্যবহার করা যায়। এতে করে খরচ ও বাঁচে। 

৩. সফটওয়্যার রিসোর্স শেয়ারিং ( Software Resource Sharing ) : নেটওয়ার্ক সংযোগকৃত এক কম্পিউটারের সাথে অন্য কম্পিউটারের সফটওয়্যার এবং অন্যান্য তথ্যাদি শেয়ার করা যায়। 

৪. তথ্য সংরক্ষণ ( Information Preservation) : নেটওয়ার্ক (Network) সুবিধাকে কাজে লাগিয়ে একটি কেন্দ্রিয় স্টোরেজ মিডিয়ার মাধ্যমে ডাটা বা তথ্য সংরক্ষণ করা যায়। এর ফলে কোন ডাটা হারানোর কোন সম্ভাবনা থাকে না। 

৫. নিরাপত্তা (Security) : এসব তথ্য পাসওয়ার্ড দিয়ে রাখা যায়। ফলে অ-অনুমোদিত কোন ব্যবহারকারী উক্ত তথ্য ভান্ডারে প্রবেশ করতে পারে না। ফলে তথ্যাদি নিরাপদে রাখা যায়। 

৬. দূরবর্তী স্থান থেকে ব্যবহার : (Remote Use) : উক্ত কম্পিউটার নেটওয়ার্কিং (Computer Networking) ব্যবস্থায় যুক্ত হয়ে বহু দূরে বসেই অফিসের কাজ এবং ব্যক্তিগত যেকোন কাজ করা যায়। এতে করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কিং (Computer Networking) ব্যবস্থা পৃথিবীকে মানুষের হাতের মুঠোয় এনে দিয়েছে। যেমন- এই লেখা গুলি যখন লিখছি তখন আমার প্রতিষ্ঠানে বসেও লিখতে পারি আবার বাড়িতে বসেও লিখতে পারি। তবে এই লেখাটি বাড়ি বসেই লিখেছি। এই কাজটি আমি শহরে গ্রামে, আম তলা, জামগাছ তলা, শীতের দিনে রোদে , রোদের দিনে গাছের ছায়াতে বসে বসে লিখতে পারি। শুধু আমার দরকার একটি কম্পিউটার বা ল্যাপটপ এবং ইন্টারনেট ব্যবস্থা। 

৭. মেসেজ আদান-প্রদান (Message Exchanging ) : নেটওয়ার্ক যুক্ত কম্পিউটারে তথ্য আদান প্রদান করা যায় বিধায় অফিসকে কাগজ বিহীনে পরিণত করা যায়। 

৮. অফিস অটোমেশন (Office Automation) : এর মাধ্যমে অফিস অটোমেশন (Office Automation) সিস্টেম (System) করা যায়। এতে লেনদেনের কাজ, ডাটা প্রোসেসিং (Data Processing), রিপোট তৈরি (Report Processing), Controlling, Updating etc. 

৯. সার্ভারের সাথে যুক্ত হওয়া : সার্ভারের সাথে যুক্ত হওয়া যায় এবং সার্ভার এপ্লিকেশনের কাজ করা যায়। 

কম্পিউটার নেটওয়ার্কি (Computer Networking) এর অসুবিধা সমূহ : নিচে কম্পিউটার নেটওয়ার্কিং অসুবিধাসমূহ আলোচনা করা হলো : 
১. ব্যয় বহুল (Costly) : নেটওয়ার্কি সিস্টেম চালু করা রক্ষণাবেক্ষণ অনেক ব্যয় বহুল। 
২. শক্ত নিরাপত্তা না থাকলে হ্যাক হওয়ার সম্ভাবনা থাকে এবং ভাইরাস আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। 
৩. এটা বাস্তবায়নের ফলে এটা রক্ষণাবেক্ষণ  করতে হয় এবং দক্ষ ইঞ্জিনিয়ারের প্রয়োজন পড়ে। 

কম্পিউটার নেটওয়ার্কের প্রকারভেদ (Classification of Computer Network) : নিম্নে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের প্রকারভেদ  বিস্তারিত আলোচনা করা হলো: 

মালিকানা অনুসারে নেটওয়ার্ক : মালিকানা অনুসারে নেটওয়ার্ক দুই প্রকার। যেমন-
ক. ব্যক্তিমালিকানা নেটওয়ার্ক (Private Network)
খ. পাবলিক নেটওয়ার্ক (Public Network) 
* ব্যক্তি মালিকানা নেটওয়ার্ক নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান নিজেদের সুবিধার জন্য ব্যবহার করে থাকে। 
* পাবলিক নেটওয়ার্ক (Public Network) : এই শ্রেণীর নেটওয়ার্ক (Public Network) পাবলিক পর্যায়ে ব্যবহার করা হয়ে থাকে। 
ভৌগলিক বিস্তৃতি অনুসারে (According to Global Area) : ভৌগলিক বিস্তৃতি অনুসারে (According to Global Area) কম্পিউটার নেটওয়ার্ক চার প্রকার। যেমন- 
ক. PAN (Personal Area Network- প্যান বা পার্সনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক) 
খ. LAN (Local Area Network - ল্যান বা লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক )
গ. MAN (Metropolitan Area Network - ম্যান বা মেট্রোপলিটন এরিয়া নেটওয়ার্ক)
ঘ. WAN (Wide Area Network - ওয়ান - ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক)

ক. PAN (Personal Area Network- প্যান বা পার্সনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক) : এই শ্রেণীর নেটওয়ার্ক পার্সনাল বা ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। এর দ্বারা পার্সনাল পর্যায়ে ডাটা আদান-প্রদান করা হয়ে থাকে। খরচ তুলনামূলক ভাবে অনেক কম। দ্রুত ডাটা আদান প্রদান করতে পারে। এটি দ্বারা ওয়ারলেস পার্সনাল নেটওয়ার্ক WPAN (Wireless Personal Personal Network) তৈরি করা যায়। এধরণের নেটওয়ার্ক যেকোন স্থানে স্থাপন করা যায়। এর বিস্তৃতি মাত্র কয়েক মিটারের মধ্যেই সীমা বদ্ধ থাকে এবং এটি USB এর মাধ্যমে কানেশন করা যায়। 

খ. LAN (Local Area Network - ল্যান বা লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক ) : এই শ্রেণীর নেটওয়ার্ক একটি নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানের মধ্যে বা একটি ভবনের মধ্যে ব্যবহার করা হয়ে থাকে। এটি সীমিত সীমার মধ্যে সীমাবদ্ধ। এর ডাটা ট্রান্সফার গতি ১০ থেকে ১০০০ মেগাবিট (Mega bit) হতে পারে। এর ডাটা ট্রান্সফার গতি সাধারণত কম হতে পারে। এর রক্ষণাবেক্ষণ, সংযোগ স্থাপন খরচ কম হয়ে থাকে। এটি তার বিহীন বা তার ছাড়া ব্যবহার হয়ে থাকে। এটি একক মালিকানাধীন বা কিছু সংখ্যক লোক বা ক্যাম্পাসের এর মধ্যে সীমাবদ্ধ হতে পারে।

 গ. MAN (Metropolitan Area Network - ম্যান বা মেট্রোপলিটন এরিয়া নেটওয়ার্ক) ; কোন অর্গানাইজেশন (Organization) বা সংস্থা ব্যবহার করে থাকে। এই শ্রেণীর নেটওয়ার্ক বড় শহরের মধ্যে ব্যবহার করা হয়ে থাকে এবং কত গুলি ল্যান সংযোগর মাধ্যমে পুরো একটি শহরকে যুক্ত করতে পারে ও এর বিস্তৃতি ১০ থেকে ৩০ কিলোমিটার হতে পারে অর্থ্যাৎ কোন বড় আকারের এলাকা হতে পারে। এর ডাটা ট্রান্সফার রেট (Data Transfer Rate) দ্রুত গতির এবং খরচ ও কম হয়ে থাকে। এই নেটওয়ার্কিং সিস্টেমে বেশি পরিমাণ ডাটা আদান-প্রদান হয়ে থাকে। 

ঘ. WAN ( Wide Area Network - ওয়ান - ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক) : WAN (Wide Area Network - ওয়ান - ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক)  এটি সাধারণ আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ব্যবহার করা হয়ে থাকে। এটির দ্বারা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ডাটা ট্রান্সফার, ই-মেইল পাঠানো, ডাউনলোডিং, অনলাইন শপি ইত্যাদি বিরাট আকারের কাজ করা হয়। এটি নির্ভর করে ফিজিক্যাল লাইন (Physical Line), অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবল (Fiber Optical Cable), স্যাটেলাইট ট্রান্সমিশন (Satellite Transmission)  এবং মাইক্রোওয়েব ট্রান্সমিশন (Micro Web Transmission) ইত্যাদির উপর নির্ভর করে। এটির দ্বারা তথ্য, পত্র-পত্রিকা, বই ইত্যাদি সংগ্রহ এবং ব্যবহার করা যায়। বিশ্বের যে কোন স্থানে ই-মেইল প্রেরণ করা যায়। ক্লাউড কম্পিউটিং সুবিধা পাওয়া যায়। অলাইন শপিং সুবিধা পাওয়া যায়। ব্যক্তিগত এবং সমষ্টিগত বুলেটিন তৈরি করা যায়। কম খরচে বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে অডিও ও ভিডিও যোগাযোগ স্থাপন করা যায়। সর্বপরি, এক টেবিলে বসে নেটওয়ার্ক বিশ্বকে প্রত্যক্ষ করা যায়। 

LAN এর শ্রেণী বিভাগ : 
ক. ক্লায়েন্ট-সার্ভার নেটওয়ার্ক (Client-Server Network)
খ. পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্ক ( Peer to Peer Network )
গ. মিশ্র বা হাইব্রিড নেটওয়ার্ক (Hybrid Network) 

ক. ক্লায়েন্ট-সার্ভার নেটওয়ার্ক (Client-Server Network) : ক্লায়েন্ট-সার্ভার নেটওয়ার্ক (Client-Server Network) নেটওয়ার্ক এক বা একাধিক ডেডিকেটেড সার্ভারের সমন্বয়ে গঠিত হয়ে থাকে। প্রিন্ট ম্যাসেজ, ফাইল, ডাটাবেস, এপ্লিকেশন ইত্যাদি এর কাজ।

খ. পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্ক ( Peer to Peer Network ) : এই শ্রেণীর নেটওয়ার্কের ক্ষেত্রে প্রতিটি পিসি বা কম্পিউটার সমান ভূমিকা পালন করে এবং এর কোন ডেডিকেটেড সার্ভার থাকে না। ফলে প্রতিটি পিসি বা কম্পিউটার ডাটার নিরাপত্তার জন্য নিজেই দাবী থাকে। কারণ, এটি অন্যদের ব্যবহারের জন্য উন্মুক্ত থাকবে। 

গ. মিশ্র বা হাইব্রিড নেটওয়ার্ক (Hybrid Network)  এই সিস্টেম  ক্লায়েন্ট-সার্ভার নেটওয়ার্ক (Client-Server Network)  এবং পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্ক ( Peer to Peer Network )  এর সমন্বয়ে গঠিত হয়ে থাকে। এটি সরাসরি সংযোগ স্থাপন না করে বিশেষ একটি স্থানে স্থাপন করার পর স্থাপন করা হয়ে থাকে। ফলে একটি গতিশীল সংযোগ স্থাপন করা যায়। 

নেটওয়ার্কিং এর যন্ত্রপাতি বা মৌলিক উপাদান - নিচে নেটওয়ার্কিং যন্ত্রপাতি সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো : 
১. নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস কার্ড : নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস কার্ড সাধারণত কম্পিউটারের মাদারবোর্ড এর স্লটে বসানো থাকে। এটির দ্বারা বিভিন্ন কম্পিউটারের সাথে সংযোগ স্থাপনে ব্যবহার করা হয়ে থাকে এবং একটি করে অদ্বিতীয় কোড নম্বর থাকে। ঐ কোড নম্বরের ভিত্তিতে কম্পিউটার টু কম্পিউটার সংযুক্ত করা হয়। এই কোড নম্বরকে ম্যাক আইডি (Mac ID) বলা হয়। 

২. মডেম (Modem) : Modulation শব্দের 'Mo' এবং Demodulation শব্দের 'Dem' শব্দদ্বয় নিয়ে 'Modem' শব্দটি গঠিত হয়েছে। নেটওয়ার্কিং এ মডেম (Modem) তথ্য আদান প্রদানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। কম্পিউটার হতে যখন ইনফরমেশন (Information) মডেমে যায় তখন মডেম ডিজিটাল ইনফরমেশনকে এনালগ ইনফরমেশন এ রুপান্তর করে। আবার অপর প্রান্তের কম্পিউটারে এই এনালগ ইনফরমেশনকে ডিজিটাল ইনফরমেশনে রুপান্তর করে। এভাবেই মডেম কাজ করে থাকে। এছাড়াও মোবাইলের সিম (SIM - Subscriber Identify Module)  ব্যবহার করে ইন্টারনেট চালানো যায়। 



Computer Network, Local Area Network, Wide Area Network, Lan, Man, Pan, Wan, Personal Area Network; Internet Modem, Best Modem

৩. ইন্টারনাল মডেম (Internal Modem) : এই মডেম কম্পিউটারের মাদারবোর্ডের এক্সপানশান স্লটে যুক্ত থাকে। এধরণে মডেমকে অ্যাকুস্টিক মডেম ও বলা হয়ে থাকে। 
 ৪. হাব (Hub) : হাব হলো নেটওয়ার্ক ডিভাইসগুলির মধ্যে সাধারণ একটি ডিভাইস। এটি দ্বারা ল্যানের কানেকশন গুলি যুক্ত করা হয়ে থাকে এবং তথ্য আদান- প্রদানের মাধ্যম হিসাবে ব্যবহার করা হয়ে থাকে। স্টারটপোলজির ক্ষেত্রে হাব (Hub) হচ্ছে কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণকারী ডিভাইস। হাবের দাম তুলনামূলক ভাবে কম। 

৫. সুইচ (Switch) : সুইচ একটি বহু পোর্ট বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক ডিভাইস যার মাধ্যমে সার্ভার, ওয়ার্ক ষ্টেশন, এবং বিভিন্ন পেরিফেরাল ডিভাইসকে যুক্ত করা যায়। সুইচের মাধ্যমের ডেটা প্রেরক নির্দিষ্ট প্রাপকের কাছে ডাটা প্রদান করতে পারে। ফলে এটি ডেটা আদান-প্রদানের ক্ষেত্রে বাধার সম্ভাবনা কমায়। এছাড়াও এটি দ্বারা ভার্চুয়াল lan ব্যবহার করে ব্রডকাষ্ট নিয়ন্ত্রণ করা যায়। 

৬. রাউটার (Router) : এটা একটি বুদ্ধিমান ইন্টারনেটওয়ার্ক কানেকটিভিটি। যা দ্বারা লজিক্যাল এবং ফিজিক্যাল দুই বা ততোধিক সেগমেন্টের মধ্যে ডাটা আদান-প্রদান করতে পারে। রাউটার ইথারনেট, টোকেন, রিং ইত্যাদি সংযুক্ত করে তথ্যাদি ট্রান্সফার করতে পারে। 

৭. গেটওয়ে (Gateway) : এটি দ্বারা একটি কম্পিউটারের সাথে অন্য একটি কম্পিউটারের সাথে যুক্ত করতে পারে। এটি কমিউনিকেশন প্রোটকলের ডাটা ট্রান্সলেট করে অন্য প্রোটকলে পরিবর্তন করে কম্পিউটারকে যুক্ত করতে পারে। 

৮. রিপিটার (Repeater) : এটি তথ্য ও যোগাযোগ ক্ষেত্রে তথ্য আদান ও প্রদানের জন্য এক ধরণের ডিভাইস বিশেষ। নেটওয়ার্ক সংযোগের ক্ষেত্রে বিভিন্ন কম্পিউটারের মধ্যে দূরত্ব বাড়ানোর জন্য রিপিটার (Repeater) ব্যবহার করা হয়ে থাকে। 

৯. ব্রিজ (Bridge) : এটি একাধিক কম্পিউটারের মধ্যে সংযোগ স্থাপনের জন্য ব্যবহৃত একটি ডিভাইস বিশেষ। এই ধরণের ডিভাইস ল্যানের মধ্যে সংযোগ স্থাপনের জন্য ব্যবহৃত হয়ে থাকে। ব্রিজ (Bridge) কে সাধারণত তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যেমন-
ক. লোকাল ব্রিজ (Local Bridge) : লোকাল ব্রিজ (Local Bridge) সংযোগ Lan এর সাথে সরাসরি যুক্ত থাকে। 
খ. রিমোট ব্রিজ (Remote Bridge) : রিমোট ব্রিজ (Remote Bridge) ভৌগলিক বিচ্ছিন্ন অবস্থানের দুটি ল্যানকে যুক্ত করে। 
গ. ওয়্যারলেস ব্রিজ (Wireless Bridge) : য়্যারলেস ব্রিজ (Wireless Bridge) একাধিক LAN অথবা দূরবর্তী ল্যানের সাথে যুক্ত করা থাকে। 

বন্ধুরা, আশা করি এই তথ্য গুলি মনোযোগ সহকারে পড়বেন। এই ইন্টারনেটের ব্যাপারে প্রয়োজনীয় জ্ঞানার্জন করতে সক্ষম হবেন ইনশাল্লাহ। আমাদের সাইটে ভিজিট করার জন্য আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ। যাযাকাল্লাহ খায়েরান। 

Friday, 6 December 2019

Avro Keyboard

Avro Keyboard, Bangla Type, অভ্র কী-বোর্ড, অভ্র বাংলা কী-বোর্ড

Avro Keyboard,  Bangla Type; Avro Bangla Typing; বাংলা টাইপিং; Bangla Keyboard;


আসসালামু আলাইকুম, কেমন আছেন বন্ধুরা ? আশা করি ভাল আছেন। আজকে আপনাদের জন্য আলোচনা করব Avro Keyboard, Bangla Type, অভ্র কী-বোর্ড, অভ্র বাংলা কী-বোর্ড ইত্যাদি বিষয় নিয়ে ইনশাল্লাহুল আজিজ। কম্পিউটার দিয়ে অফিসিয়াল কাজ বেশির ভাগ ইংরেজিতে করা হয়। আবার বাংলায় লেখালেখির কাজ ও কম নয়। তাই বাংলা লেখার পদ্ধতি সম্পর্কে জানা খুবই জরুরী। হয়তবা, কম্পিউটারের কাজ না জানা থাকার কারণে চাকরি করা অনেক কঠিন হয়ে পড়বে বলে অনেকে ধারণা করছে এবং বাস্তবতাও তাই বলে মনে হচ্ছে। কারণ প্রায় সব অফিসেই এখন কম্পিউটার ব্যবহার করছে। এই জন্য প্রত্যেক চাকুরিজীবি এমন কি ছোট আকারের প্রতিষ্ঠানেও কম্পিউটারের ব্যবহার বিদ্যমান। অনেকেই Bangla type ( বাংলা টাইপ) জানেন না। তাতে করে অফিসিয়াল বা ব্যক্তিগত লেখালেখির কাজ করতে অনেক সমস্যার সম্মুখীন হন। অনেকের আবার দোকানে গিয়ে বা কম্পিউটারে বা টাইপ রাইটারের কাছ থেকে কাজ করে নিয়ে আসে। সেখানে যদি কাজের ভিড় থাকে তবে অল্প সময়ের কাজ কয়েক ঘন্টা লেগে যেতে পারে। আর নিজের জানা থাকলে নিজেই যেকোন সময় লিখে ফেলতে পারেন নিমিষেই। আসলে অভ্র সফটওয়্যারটি বাংলা টাইপে কম দক্ষদের জন্যই তৈরি। তাই যারা বাংলা টাইপ জানেন না তাদের জন্য আমার এই ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা। আশা করি, এই প্রচেষ্টার মাধ্যমে আপনি উপকৃত হতে পারবেন ইনশাল্লাহ। ওমা তৈফিকি ইল্লাবিল্লাহ। 

Avro Keyboard, Avro Bangla Keyboard, অভ্র কী-বোর্ড, অভ্র বাংলা কী-বোর্ড কি ? 

উত্তর : অভ্র বাংলা কীবোর্ড একধরণের বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার। যা দ্বারা বাংলা টাইপ করা যায়। সবচেয়ে মজার কথা হলো এটা একদম কম অভিজ্ঞ লোক ব্যবহার করতে পারে। তাই এর জনপ্রিয় অনেক বেশি। বিশেষ করে সরকারি চাকুরীতে এর ব্যবহার অনেক বেশি। সরকারি অফিসিয়াল বাংলা লেখা গুলি Avro Keyboard বা Avro Bangla Keyboard সফটওয়্যারের মাধ্যমের হয়ে থাকে। আবার কোন কোন ক্ষেত্রে Bangla Type ( বাংলা টাইপ) এর জন্য বিজয় বায়ান্ন বা বিজয় 52 সফটওয়্যারটি ব্যবহার করা যায়। এটি দ্বারা অফিসিয়াল এবং ব্যক্তিগত লেখালেখির কাজ বাংলায় করা হয়। যেখানে বিজয় বায়ান্ন ( Bijoy Bayanno )  তে ‘অ’ লিখতে শিফট (Shift এবং F) চাপতে। কিন্তু অভ্রতে লিখতে শিফট চাপতে হয় না। অ অক্ষরটি তুলতে O চাপলেই হয়ে যায়। আ এবং া আকার তুলতে গেলে A অক্ষরটি চাপতে হয়। এখন কথা হলো আ কেমনে ওঠে আর ‘া’ কেমনে ওঠে ? ওয়ার্ড এর শুরুতে চাপলে আ এবং অক্ষরের পরে তুললে ‘া’ উঠে। আবার ‘ক’ তুলতে গেলে ইংরেজি অক্ষর K চাপতে হবে। কিন্তু ‘খ’ লিখতে গেলে KH চাপতে হবে। নিচে ভেঙ্গে ভেঙ্গে আলোচনা করা হলো: 

Avro Keyboard, Bangla Type এর ক্ষেত্রে প্রথমত আমরা জানবো ব্যঞ্জন বর্ণ  বা অক্ষর সম্পর্কে : নিচে দেখুন বিস্তারিত আলোচনা। 

O = ,  ইংরেজি বড় হাতের অক্ষর লেখার ক্ষেত্রে Keyboard এর Shift চেপে ধরে অক্ষর চাপতে হবে।
A = , া ( আকার  ) I = ই বা  ি (ই-কার) (শব্দের প্রথমে A চাপলে আ এবং পরে চাপলে ‘া’ উঠবে।
শব্দের প্রথমে  I চাপলে ‘ই’ লেখা উঠবে। কিন্তু শব্দের বা বর্ণের শেষে চাপলে  ‘ ি’ লেখা উঠবে। 
আবার     ী -  কার লিখতে ‍শিফট I চাপতে হবে। 
ক = k  এবং kh = খ
G =   এবং gh চাপলে ‘’ উঠবে। 
Ng= চাপলে ‘ঙ’ উঠবে। 
c = চ,  আবার ch= ছ অক্ষরটি উঠবে। 
j = জ এবং jh = ঝ অক্ষর লেখা হবে। 
NG = ঞ হবে। 
T তে ‘ট’ অক্ষর উঠবে। কিন্তু  ‘ঠ’  এর জন্য Th চাপতে হবে।  
D = ড অক্ষর এবং Dh = ঢ লেখা যাবে। (শিফট চেপে ডি চাপলে বড় হাতের অক্ষর (Capital Letter ) এবং  shift না চাপলে ছোট হাতের অক্ষর উঠবে। 
ণ = Shift N চাপলে হবে। 
ত = t হবে, কিন্তু th চাপলে থ অক্ষরটি উঠবে। 
দ = d
ধ = dh চাপতে হবে। 
ন = n 
প = p অক্ষর উঠবে এবং ফ এর জন্য ph ফ অক্ষরটি উঠবে। 
ব = b হবে। কিন্তু  ভ লেখার জন্য bh বা v চাপতে হবে। 
ম = m হবে। 
য = z
র = r
ল = l 
শ = sh, S চাপতে হবে। 
ষ = ‍Sh. 
স এর জন্য s এবং হ এর জন্য h
ড় = R, এবং ঢ় = Rh অক্ষর দ্বয় চাপা প্রয়োজন। 
য় = এর জন্য ছোট হাতের অক্ষর y বা বড় হাতের অক্ষর Y চাপতে হবে। 
ৎ = t
ং = ng 
ঃ বাটনটি ইন্টারের কাছে আছে। এটি সাধারণত বাংলায় লেখার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয় এবং : ক্লোন টি সাধারণত ইংরেজি লেখার সময় ব্যবহার করা হয়। তাছাড়া বাংলা লেখার সাথে :  লিখলে মানায় না। ঃ ইংরেজির সাথে ব্যবহার করলে মানায় না। 
লিখতে  গেলে  t এর উপরের বাটনে যেখানে ^ বা 6 আছে। 


ব্যঞ্জন বর্ণের কার বা ফলা লেখার ক্ষেত্রে যে সব অক্ষর গুলি চাপতে হবে তা নিচে বিস্তারিত বর্ণনা নিচে দেওয়া হলো। আশা করি মনোযোগ দিয়ে শিখবেন এবং কাজ গুলি জেনে খুশি হবেন। 
্য - ফলা = y, Z
্র - ফলার ক্ষেত্রে r 
রেফ লেখার জন্য rr চাপতে হবে।  
চিহ্ন তুলতেক্লিক করতে হবে। 
( দাঁড়ি তুলতে)  ডট ব্যবহার করতে হবে। 
( টাকা চিহ্ন টি তুলতে E এবং R এর পাশে 4 চাপতে হবে। তবে অবশ্য Shift চাপতে ভূলবেন না কিন্তু। 
. ( ডট তুলতে Numpad) ব্যবহার করতে হবে। 
: (কোলনের ক্ষেত্রে : ব্যবহার করতে হবে। )

বাংলা স্বর বর্ণের ক্ষেত্রে কার কিভাবে উঠাতে হবে সেই পদ্ধতিগুলি নিচে বিস্তারিত ভাবে আলোচনা করা হলো। 
’ি’ (ই- কার তুলতে) i
ী (ঈ-কার লিখতে) Shift I চাপা লাগবে। 
ু ( উ - কার লেখতে গেলে) u এবং   ‍ূ ( ঊ - কারের জন্য) Shift চেপে U. 
ৃ ( ঋ - কার) তুলতে rri ক্লিক করতে হবে।) 
’ে’ তুলতে e
’ৈ’ ( ঐ কার তুলতে OI এবং  ো ( ও - কার) তুলতে O ব্যবহার করতে হবে। 

এছাড়াও অংকের সংখ্যা গুলি তুলতে কীবোর্ডের যেসব কী গুলি ব্যবহার করতে হবে তা নিচে বিস্তারিত ভাবে আলোচনা করা হলো : 

১ এর জন্য 1
২ এর ক্ষেত্রে ইংরিজ 2
৩ সংখ্যাটি তুলতে
৪ এর ক্ষেত্রে 4
সংখ্যাটির জন্য
৬ সংখ্যাটি তুলতে 6
লিখার জন্য 7
৮ সংখ্যাটি লিখতে 8 এবং 
৯ লিখতে চাপতে হবে 9. 

বন্ধুরা, এভাবে কাজ গুলি গুরুত্ব সহকারে শিখলে ইনশাল্লঅহ ভাল টাইপ রাইটার হতে পারবেন বলে আমি মনে করি। আর কাজ ভাল পারলে প্রোমোশন(Promotion) ও  ইনশাল্লাহ তাড়াতারি হবে ইনশাল্লাহ। আমার এই ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা যদি আপনার জন্য সামান্যতম উপকারে আসে তবে, নিজেকেই কিছুটা ধন্য মনে করব ইনশাল্লাহ। পোষ্টটি পড়ার জন্য আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ। কম্পিউটারের বিভিন্ন বিষয় জানতে আমাদের ওয়েবসাইটে নিয়মিত ভিজিট করুন। 











Tuesday, 3 December 2019

Bangla Type, Google Bangla Type, Online Bangla Typing

Bangla Type, Google Bangla Type, Online Bangla Typing : বিজয় বাংলা টাইপিং এর জন্য 

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ। বন্ধুরা কেমন আছেন ? আশা করি আপনারা ভাল আছেন। আপনাদের অফিসিয়াল বা ব্যক্তিগত কাজের ক্ষেত্রে বিভিন্ন বাংলায় লেখালেখির করতে গিয়ে নানা রকম সমস্যায় পড়েন। আশা করি আপনি যদি একটু মনোযোগ দিয়ে অল্প কয়েক দিন চেষ্টা করেন তবে খুব কম সময়ের মধ্যে-ই ভাল টাইপ করতে পারবেন ইনশাল্লাহ। যদি Bangla Type (বাংলা টাইপ ভাল করতে পারেন তবে ইংরেজির চাইতে বাংলায় বেশি টাইপ করতে পারবেন ইনশাল্লাহ এবং খুব ভাল লাগবে। আমার মনে হয় আমি ইংরেজি টাইপ (English Type) সর্বোচ্চ 30টি ওয়ার্ড (Word Type) করতে পারবো। আর বাংলায় প্রায় 50টি ওয়ার্ড (Word Type) করতে পারবো। বাংলা টাইপ করার মজাই আলাদা। কারণ, মাতৃভাষা হওয়ায় একটা পুরো বাক্য একবার দেখলেই টাইপ করতে পারবেন। কিন্তু ইংরেজির বেলায় বানান দেখতে হবে এই সেই সমস্যা। তাই আপনাদের জন্য Bangla Type, Google Bangla Type, Online Bangla Typing  বিজয় বাংলা টাইপিং এর জন্য পোস্টটি তৈরি করলামনিচে বিস্তারিত দেখুন।

Bangla Type : বাংলা টাইপ,  বিজয় বাংলা টাইপিং এর জন্য 

 স্বরবর্ণ 11টি। যেমন- অ, আ, ই, ই, ঈ, উ, ঊ, ঋ, এ, ঐ, ও, ঔ
Shift + F = অ
G+ F      = আ
G+ D = ই
G+Shift+D = ঈ
G+S = উ
G+A = ঋ
G+C= এ
G+Shift+C= ঐ
X= ও
G+Shift+X= ঔ
স্বর বর্ণের কার চিহ্ন গুলি লেখার নিয়ম : Bijoy Bangla Typing, বিজয় বাংলা টাইপিং এর ক্ষেত্রে স্বরবর্ণ এর কার চিহ্ন কিভাবে লিখবেন নিচে তা বিস্তারিত দেওয়া হলো।
F  =া (আকার)
D = ি (ই-কার)
Shift + D = ী (ঈ- কার)
S = ু (উ- কার) 
Shift + S = ূ (ঊ - কার) র্
A =ৃ ( ঋ- কার) 
C =ে এ কার
Shift+ C= ৈ - (ঐ - কার)
Shift + x= ৗ ( ঔ- কার ) 


ব্যঞ্জন বর্ণ এর ক্ষেত্রের লেখার নিয়ম :  Bijoy Bangla Typing, Online Bangla, বিজয় বাংলা টাইপিং এর ক্ষেত্রে স্বরবর্ণ এর কার চিহ্ন কিভাবে লিখবে নিচে তা বিস্তারিত দেওয়া হলো।

        বন্ধুরা, ব্যঞ্জন বর্ণ লেখার ক্ষেত্রে উপরের চিত্রে দেখা যাচ্ছে সবগুলি অক্ষর দেওয়া আছে। এখানে বিশেষ ভাবে খেয়াল রাখবেন যে, ক লিখতে গেলে যেমন J অক্ষর চাপতে হবে। তেমনি খ লিখতে গেলে Shift এবং J চাপতে হবে। আবার গ লিখতে গেলে কীবোর্ড থেকে ইংরেজি অক্ষর O চাপতে হবে। আবার ঘ লিখতে গেলে Shift এবং O চাপতে হবে। ঙ লিখতে কীবোর্ড এ ইংরেজি অক্ষর Y অক্ষরটি চাপতে হবে। আবার ঙ লিখতে চাইলে আপনাকে অবশ্যই Q অক্ষর চাপতে হবে। তবে, ব্যতিক্রম হল Shift এবং Q চাপলে ং আসবে। মাইক্রোসফট অফিস (Microsoft Office) এর ক্ষেত্রে এই রুলস গুলি ফলো (Follow) করতে হবে। আবার ইন্টারনেটে বাংলা যদি বিজয় ইউনিকোড এর মাধ্যমে লেখেন তবে প্রায় একই (Same) নিয়ম মানতে হবে। 

           ি (ই-কার), এ কার, ৈ-(ঐ- কার) লেখার সময় চাপলে এগুলি সরাসরি আসে না। এগুলি লিখে কোন অক্ষর না চাপা পর্যন্ত  ি (ই-কার), এ কার, ৈ-(ঐ- কার)  লেখা গুলি আসে না। তাই লেখার চেষ্টা করতে হবে। তাহলেই তাড়াতাড়ি লিখতে পারবেন। অধিকাংশ অফিসেই বিজয় ইউনিকোড ব্যবহার করা হয়। আবার অভ্র কী- বোর্ড (Avro Keyboard) এর ব্যবহার ও কম নয়। অবশ্যই মনে রাখবেন যে, বিজর ইনিকোড (ইন্টারনেটে বাংলা লেখার ক্ষেত্রে) এর ব্যবহার জরুরী। কিন্তু যারা টাইপ ভাল জানে না তাদের কোন রকম কাজ সারিয়ে নেওয়ার জন্য অভ্র কী- বোর্ড ব্যবহার করে থাকে। তাই ভাল টাইপ রাইটার হতে চাইলে অবশ্যই বিজয় ইউনিকোড (ইন্টারনেটে বাংলা লেখার ক্ষেত্রে) এর ব্যবহার জরুরী। আবার মাইক্রোসফট ওয়ার্ড (Microsoft Word) এ বাংলা লেখার ক্ষেত্রে ফন্ট অপশনে গিয়ে SutonnyMJ (সুতোনী এম জে) সিলেক্ট করতে হবে। এবং বিজয়ে ক্লাসিক (Bijoy Classic) ব্যবহার করতে হবে।                               
                                                                 ‍SutonnyMJ       Bijoy Classic
Bijoy Classic & SutonnyMJ; Bijoy Keyboard; English Bangla Typing; Bangla Typing; Bijoy Unicode;


ব্যঞ্জন বর্ণ এর ফলা গুলি লেখার ক্ষেত্রে বিভিন্ন পদ্ধতি গুলি ব্যবহার করা হয়। নিম্নে তা বিস্তারিত আলোচনা করা হলো।

্র ( র- ফলা) লিখতে কী- বোর্ড এ ইংরেজি অক্ষর Z চাপতে হবে। আর শিফট Z চাপলে ্য - ( জ- ফলা) উঠবে। আর (রেফ) তুলতে Shift A চাপতে হবে। 

এবার আসি, বাংলায় যুক্তাক্ষর লেখার ক্ষেত্রে : যুক্তাক্ষর লেখার ক্ষেত্রে যে নিয়ম ব্যবহার করা হয় তার এক কথা সমস্ত যুক্তাক্ষর লিখতে পারবেন। তবে আপনাকে জানতে হবে কোন অক্ষরের সাথে কোন অক্ষর কিভাবে যু্ক্ত করতে হয়। যেমন ধরুন, আপনি ক্ষ লিখতে চাচ্ছেন। এটি লিখতে আপনাকে ক এবং ষ লিখতে হবে। উপরের অক্ষর চাপার পর G চেপে নিচের অক্ষরটি চাপলে যুক্তাক্ষর হয়ে যাবে সোজা কথা। শুধু এটা মনে রাখতে এক কথায় সমস্ত যুক্তাক্ষর লিখতে পারবেন অনায়েশেই। নিচের বিস্তারিত লিখে দেওয়া হলো-

ক্ষ = ক এবং ষ,  
ষ্ণ = ষ + ণ, 
ঙ্ক = ঙ + ক, 
ঞ্ছ = ঞ + ছ,  
হ্ম = হ + ম, 
ক্ত= ক এবং ত,
ত্ত = ত+ত, 
গ্ধ= গ + ধ,
দ্ধ = দ + ধ,
ঞ্চ= ঞ এবং চ
ট্ট = ট + ট,
ন্ড = ন + ড,
ণ্ড = ণ + ড,
ষ্ক = ষ + ক
হ্ণ = হ + ণ,
দ্ব = দ + ব, 
ন্দ্ব = ন + দ + ব, 
ত্থ = ত + থ
ন্ন = ন + ন, 
গ্র = গ এবং র ফলা। এখানে জি চাপতে হবে না। 
গ্রু = গ +  ্র + ‍ু ,
ভ্র = ভ এবং  ্র ( ভ এবং র - ফলা) 
ক্র = ক এবং শুধু র ফলা, 
স্ম = স জি ম, দ্ম = দ জি ম
হৃ = হ এবং  ‍ৃ ,  
হ্র = হ এবং ্্র (হ এবং র ফলা) 
শু = শ এবং   ু
ন্ধ = ন জি দ 
ক্ব = ক + ব
ক্স = ক + স
ন্য = ন এবং য ফলা
ন্র= ন এবং   ্র (র ফলা)
ত্র = ত এবং র ফলা (ত্রিশ লিখতে এটা লাগে) 
ঞ্ঝ = ঞ জি ঝ
চ্ছ্‌ = চ জি ছ
স্থ = স জি থ 
ত্ত্ব= ত জি ত জি ব
ঞ্জ = ঞ জি জ (যেমন- সিরাজগঞ্জ)
জ্ঞ = জ জি ঞ (যেমন- বিজ্ঞান)
ম্ভ = ম জি ভ
       বন্ধুরা, অবশ্য মনে রাখবেন, শুধু মাত্র যুক্ত অক্ষর লেখার ক্ষেত্রে দুটি অক্ষরের মাঝে জি চাপতে হয়। কিন্তু া,  ে,   ্র, ্য ইত্যাদির ক্ষেত্রে বা কার বা ফলার ক্ষেত্রে জি চাপতে হয় না। যেমন - কাকা লিখতে গিয়ে যদি জি চাপি তাহলে হবে না। যেমন- কআ (কআ উঠল। ঠিক ভাবে উঠল না।) আবার প্র লিখতে প্্র (এখানে প জি   ্র দিলে প্্র হলো। আর যদি প লিখে   ্র ফলা লিখি তাহলে প্র হয়ে গেল।  ্য ফলার ক্ষেত্রেও তাই। এছাড়া  যদি শু লিখতে চাই তাহলে শ এবং  ু চাপতে হবে। দুটির মাঝে জি চাপা যাবে না। যেমন- যদি দুটির মাঝে জি চাপি তাহলে  এরকম হবে - শউ হবে। মানে ঠিক ভাবে হবে না। তাই যেভাবে লিখে দেওয়া হলো সেভাবে অনুসরণ করতে আপনার বাংলা লিখতে কোন সমস্যা হবে না ইনশাল্লাহ এবং তাড়াতাড়ি শিখতে পারবেন ইনশাল্লাহ। প্রতিদিন নিয়মিত যদি চেষ্টা করেন তো দেখবেন অল্প দিনের মধ্যে শিখে ফেলবেন। কারো কাছে যাওয়া লাগবে না ইনশাল্লাহ। মনে রাখবেন, আগামী দিনে কম্পিউটার শিক্ষা ছাড়া আপনার চাকরি থাকার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। তাছাড়া চাকরি নিতে গেলে কম্পিউটার অভিজ্ঞতা ছাড়া চাকরি নেই বললেই চলে। আমাদের সাইটে ভিজিট করার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। 

     














Saturday, 23 November 2019

Application Software

Application Software, এ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার কাকে বলে, এ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার 

        বন্ধুরা, আজকে আমরা জানবো, Application Software এ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার কি, অথবা এ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার কাকে বলে ? আমরা কম্পিউটার, মোবাইল, ট্যাবলেট ইত্যাদি দিয়ে নানা রকম কাজ করে থাকি। বিভিন্ন রকমের কাজ করতে বিভিন্ন রকমের বিশেষ বিশেষ সফটওয়্যারের প্রয়োজন পড়ে। এসব সফটওয়্যার দিয়ে আমরা বিশেষ বিশেষ কাজ করে থাকি খুব সহজেই। সফটওয়্যার ডেভলপাররা কাজের বিশেষ সুবিধার জন্য এবং দ্রুুত গতিতে ও কম সময়ে কাজ করার জন্য বিশেষ ধরণের সফটওয়্যার তৈরি করে থাকেন। এইসব সফটওয়্যার দিয়ে আমরা বিভিন্ন কাজ করে থাকি। এইসব বিশেষ ক্ষেত্রে বিশেষ সফটওয়্যার গুলিকে এ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার বলে। এইসব সফটওয়্যার আমাদের কাজকে অনেক বেশি গতিশীল করে দিয়েছে এবং কম দক্ষ লোক খুব সহজেই এর মাধ্যমে কাজ করতে পারে। এইসব Application Software - এ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যারকে এ্যাপস (APPS) বলা হয়ে থাকে। তবে, কম্পিউটারে যেসব এ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়ে থাকে তাকে এ্যাপস (APPS) এবং এ্যান্ড্রয়েড বা স্মার্ট মোবাইল ফোনে অথবা ট্যাবলেটে যেসব সফটওয়্যার ব্যবহার করা  হয় তাকে এ.পি.কে (APK) বলে। (APK) কম্পিউটারে ব্যবহার করা যায় না। এপিকে (APK) কম্পিউটারে ব্যবহার করতে হলে কম্পিউটারে গ্রাফিক্স কার্ড লাগাতে হবে। অপর পক্ষে এ্যাপস মোবাইলে ব্যবহার করা যায় না। আর মোবাইলে গ্রাফিক্স কার্ড লাগানোর কোন সিস্টেম নাই। তবে, কোন কোন এ্যাপস Apps ডুয়েল সিস্টেম থাকে। অর্থ্যাৎ মোবাইল এবং কম্পিউটার উভয় ক্ষেত্রেই ব্যবহার করা যায়। এই সিস্টেম কাজকে আরো বেশি বেগবান ও গতিশীল করে দিয়েছে। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির উৎকর্ষের ফলে আমরা অনেক কঠিন কাজ গুলিকে সহজে করতে পারি। এতে করে সময়, শ্রম, অর্থ উভয়ই বাঁচাতে পারি। 

         সর্বপরি, এ্যাপস বলতে, কোন বিশেষ ধরণের কাজের জন্য বিশেষ সফটওয়্যারকে বলে থাকি। অথবা, বিশেষ ধরণের কাজের জন্য তৈরি করা সফটওয়্যারকে এ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার বা এ্যাপস (APPS) বা এ. পি. কে (APK) বলা হয়ে থাকে। 

          আশা করি,  কম্পিউটার বিষয়ে বিভিন্ন তথ্যাদি জানতে আপনাদের এই পোস্ট গুলি বিশেষ ভাবে সাহায্য করবে (It will be helpful for you). তাই আসুন আমরা বিভিন্ন প্রকার এ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার (Application Software) সম্পর্কে জেনে নেই।


Computer Application Software, Application Software, এ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার কাকে বলে, এ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার; Apk Software; MIcrosoft Office; MS Excel; মাইক্রোসফট অফিস; মাইক্রোসফট এস্কেল; গ্রাফিক্স সফটওয়্যার; মিডিয়া প্লেয়ার; ভিডিও এডিটিং সফটওয়ার; ডাটাবেস প্রোগ্রামিং; , মাইক্রোসফট একসেস;



বিভিন্ন প্রকার এ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার (Application Software) এর বিবরণ : 

১. ইন্টারনেট ব্রাউজিং সফটওয়্যার : ইন্টারনেট (Internet Explorer), মজিলা ফায়ারফক্স (Mozilla             Fire Fox), গুগল ক্রম (Google Chrome), অপেরা ব্রাউজার (Opera Browser), ইউসি ব্রাউজার (UC Browser) গুগল সার্চ, সাফারি ব্রাউজার (Safari Browser), এ্যাভেন্ট ব্রাউজার (Avant Browser) ইত্যাদি। এইসব সফটওয়্যার দিয়ে আমরা ইন্টারনেট ব্রাউজ করে বিভিন্ন বিষয় জানতে পারি, কাজ করতে পারি, বিভিন্ন তথ্য ডাউনলোড করতে পারি, ভিডিও দেখতে পারি, গান শুনতে পারি ইত্যাদি। আবার এগুলি দিয়ে  এ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার দিয়ে ভিডিও, গান ইত্যাদি আপলোড দিতে পারি, প্রয়োজনীয় ওয়েবসাইট বুকমার্ক  এ রেখে দিতে পারি ইত্যাদি।

২. অফিস  এপ্লিকেশন সফটওয়্যার : 

      মাইক্রোসফট ওয়ার্ড (Microsoft Word), পিডিএফ রিডার, স্ক্যানিং সফটওয়্যার ইত্যাদি হলো অফিস এ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার। এর মাধ্যমে আমরা বিভিন্ন অফিসিশাল কাজ কর্ম করতে পারি। এখানে মাইক্রোফট ওয়ার্ড (Microsoft Word) দিয়ে বিভিন্ন লেখা লেখির কাজ করতে পারি। পিডিএফ (PDF Reader) দ্বারা আমরা বিভিন্ন বই পড়তে পারি। আর স্কানার সফটওয়্যার দ্বারা বিভিন্ন ডকুমেন্ট (Document), ছবি (Picture), নকশা(Design) ইত্যাদি স্ক্যান করে কম্পিউটারে প্রবেশ করতে পারি এবং সেই গুলি প্রিন্টার দ্বারা প্রিন্ট করতে পারি। তাছাড়া, এগুলি গুগল ড্রাইভে (Google Drive) এর সংরক্ষণ করতে পারি। এছাড়া, ই-মেইল (E-mail), ফেসবুক, ট্যুয়েটার, ম্যাসেঞ্জার, স্কাইপি (Skype) ইত্যাদি মাধ্যমে অন্য জায়গায় পাঠানো যাবে। 

৩. গ্রাফিক্স সফটওয়্যার : 
       বিভিন্ন প্রকার ডিজাইনের কাজ করার জন্য বিভিন্ন গ্রাফিক্স ডিজাইন সফটওয়্যার বাজারে পাওয়া যায়। এইসব সফটওয়্যার ব্যবহার করে আমরা বিভিন্ন ডিজাইনের কাজ করতে পারি খুব সুন্দর ভাবে। একেক সফটওয়্যারের একেক রকম ফ্যাসালিটি রয়েছে। কয়েকটি গ্রাফিক্স সফটওয়্যা হলো- Adobe Photoshop, Photoshop CS6, Photoshop CC, Adobe Illustrator ইত্যাদি। তবে, Photoshop CS6, Photoshop CC এই দুটি সফটওয়্যার সবচেয়ে জনপ্রিয়। 
৪. ভিডিও এডিটিং সফটওয়্যার : 
      ভিডিও এডিটিং সফটওয়্যার দিয়ে ভিডিও কাটিং, ভিডিও সংযোজন, বিয়োযোজন, পরিবর্তন, পরিবর্ধন,  এ্যানিমেশন সংযোজন, টেক্সট বা লেখা, ছবি, সাউন্ড, অডিও ইত্যাদি করা যায়। এই গুলিতে বেশ কিছু এ্যানিমেশন দেওয়া থাকে। ভিডিও এডিটর তার চাহিদা মাফিক সেখান থেকে এ্যানিমেশন নিয়ে এডিট করে নিজেদের মত করে নতুন এ্যানিমেশন বসাতে পারে। বাজারে বিভিন্ন এ্যানিমেশন (Animation Softwar) পাওয়া যায়। তার মধ্যে, ওন্ডার শেয়ার ফিলমোরা, মোভিভা ইত্যাদি। 

৫. মিডিয়া প্লেয়ার: 
        মিডিয়া প্লেয়ারের মাধ্যমে আমরা গান, ওয়াজ, সাউন্ড, ইত্যাদি শুনতে পারি। ভিডিও দেখতে পারি। কোন কোন মিডিয়া প্লেয়ার দ্বারা রেকর্ড ও করতে পারি। এতে সাউন্ড কম বেশি করার সিস্টেম ও রয়েছে। 
৬. স্পেডশিট : 
             মাইক্রোসফট এক্সেল (Microsoft Excel) হলো স্প্রেড সফটওয়্যার। এটি দ্বারা খুব দ্রুত গতিতে বড় বড় গাণিতিক, শিল্প প্রতিষ্ঠানের হিসাব নিকাশ করা যায়। এই কাজের ক্ষেত্রে অন্যান্য সফটওয়্যারের সাথে সাথে  মাইক্রোসফট এক্সেল এর ভূমিকা অন্যতম। 
৭. এ্যানিমেশন  সফটওয়্যার : 
            বাজারে বিভিন্ন এ্যানিমেশন সফটওয়্যার পাওয়া যায়। তার মধ্যে মাইক্রোসফট পাওয়ার পয়েন্ট অন্যতম। পাওয়ার পয়েন্ট দিয়ে বিভিন্ন প্রকার এ্যানিমেশন তৈরি করা যায়। এতে বিভিন্ন প্রকার সাউন্ড সিস্টেম, ছবি, লেখা ভয়েস ইত্যাদি এ্যাড করা যায় এবং দারুণ দারুণ এ্যানিমেশন তৈরি করা যায়। 

৮. ডাটাবেস সফটওয়্যার (Database Software) : 
           বাজারে বিভিন্ন ডাটাবেস সফটওয়্যার পাওয়া যায়। তার মধ্যে মাইক্রোসফট এক্সেস  (Microsoft Access) অন্যতম। মাইক্রোসফট এক্সেল এর মাধ্যম, এইটিএমএল(HTML- Hyper Text Markup Language), ভিস্যুয়াল বেসিক (Visual Basic), ভিস্যুয়াল স্টুডিও (Visual Studio), জাভা (JAVA), পাইথুন (python), (এক্স. এম. এল) XML ইত্যাদি দিয়েও ডাটাবেস সফটওয়্যার তৈরী করা যায়। এগুলির একেকটার একেক ফ্যাসালিটি রয়েছে। 

৯. ওয়েব সাইট এ্যাপস : 
         এখন বিভিন্ন ওয়েবসাইট তাদের নিজেদের পণ্য, সেবা, সংবাদ ইত্যাদি মানুষের কাছে দ্রুুত পৌঁছানোর জন্য তাদের নিজস্ব এ্যাপস ব্যবহার করে থাকেন। তাকে ঐ ওয়েবসাইটের বিভিন্ন তথ্যাদির আপডেট মুহুর্তের মধ্যে জনগণের কাছে পৌছায়। এতে করে ক্রেতা, এবং বিক্রেতা দুইজনই বিশেষ ভাবে উপকৃত (Benefited) হচ্ছে এবং এটা একটা দারুণ একটি মাধ্যম। যার ফলে এর জন প্রিয়তা খুব বেড়ে গেছে। যেমন- বিশ্বের শ্রেষ্ঠ ই-কমার্স ওয়েবসাইট (E-Commerce Website) আমাজন (Amazon) নিজস্ব এ্যাপস ব্যবহার করে থাকে, এছাড়া চীনের আলি এক্সপ্রেস, ইবেসহ ছোট বড় অনেক ওয়েবসাইটেই এ্যাপস ব্যবহার করে থাকে। যার ফলে তারা তাদের পণ্য, সেবা মানুষের কাছে তাড়াতাড়ি পৌছাতে সক্ষম হয়েছে। এছাড়াও ওয়েবসাইটের অন্যান্য কাজের জন্য ওয়ার্ডপ্রেস এর বিভিন্ন সফটওয়্যার ব্যবহার করে থাকে। 
১০. যোগাযোগ সংক্রান্ত এ্যাপস বা এপ্লিকেশন সফটওয়্যার : 
             যোগাযোগ সংক্রান্ত বিভিন্ন এ্যাপস বা এপ্লিকেশন সফটওয়্যার ব্যবহার করে থাকে। এসব এ্যাপস দিয়ে অডিও কল ও ভিডিও কল দিয়ে থাকে। আর এতে  করে কম খরচে বহুদূরের আত্মীয় স্বজন, বন্ধু বান্ধব এবং ব্যবসায়ের ক্ষেত্রেও যোগাযোগ স্থাপন করতে পারে। যা বর্তমানে খুব জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। বর্তমানে বাজারে নানা ধরণের এ্যাপস ব্যবহার করা হয়ে থাকে। এগুলি দিয়ে যেমন কথা বলা তেমনি ভিডিও দেখা যায়। শুধু তাই নয়, এগুলির কোন কোনটা আবার এক ভাষা থেকে অন্য ভাষায় ট্রান্সলেট (Translate) করতে পারে। এর ফলে অন্য ভাষার লোকদের সাথেও যোগাযোগ স্থাপন করা অনেক সহজ হয়ে গিয়েছে। এটা বিজ্ঞান প্রযুক্তিতে একটা যুগন্তকারী সাফল্য বলা যায়। এগুলির মধ্যে ই-মেইল (E-mail) ফেসবুক ম্যাসেঞ্জার (Facebook Massenger), স্কাইপি (Skype), ট্যাঙ্গো (Tango), লাইন ফ্রি কলিং (Line Free Calling), ভাইবার (Viber), ইমো (IMO), উই চ্যাট (We Chat) ইত্যাদি। এছাড়াও আরো বিভিন্ন ধরণের এ্যাপস বা এপ্লিকেশন সফটওয়্যার ব্যবহার করা যায়। এরপর বিভিন্ন ডকুমেন্ট শেয়ার করার জন্য জিমেইল (Gmail), (আউট লুক) Outlook, ইয়াহু (Yahoo) ইত্যাদি ব্যবহার করা হয়। 

১১. সিকিউরিটি সফটওয়্যার (Security Software) : 
             আমি অন্য একটি পোষ্ট এর মাধ্যমে কম্পিউটার ভাইরাস সম্পর্কে আলোচনা করেছি। যা নিচের দিকে গেলে পড়তে পারবেন। কম্পিউটারের ভাইরাস দূর করার জন্য এবং বিভিন্ন প্রকার ট্রাকিং প্রোটেকশনের জন্য এন্টিভাইরাস সফটওয়ার ব্যবহার করা হয়ে থাকে। বাজারে বিভিন্ন ধরণের এন্টিভাইরাস সফটওয়ার পাওয়া যায়। যা ঐ পোস্টে আলোচনা করেছি। যা লাল চিহ্নি ভাইরাস লেখাতে ক্লিক করলে পেয়ে যাবেন ইনশাল্লাহ। 
১২. ফোল্ডার এ্যাপস (Folder Apps) : 
              কম্পিউটার, মোবাইল ইত্যাদি ডিভাইসে তথ্যাদি রাখার জন্য এবং তা দেখার জন্য ফোল্ডার (Folder App) (ফোল্ডার এপ্রিকেশন Folder Application ব্যবহার করা হয়ে থাকে। এর মাধ্যমে আমরা কম্পিউটারের বা মোবাইল ইত্যাদিতে সংরক্ষিত তথ্যাদির জমা রাখতে পারি এবং প্রয়োজনে তা বের করে দেখতে পারি। এটাও দারুণ একটি সুবিধা প্রদান করতে সক্ষম হয়েছে। 
১৩. ফোল্ডার লক (Folder Lock) : 
              ফোল্ডার এর সিকিউরিটির জন্য ফোল্ডার লক (Folder Lock) এপ্লিকেশন ব্যবহার করা হয়। এতে করে ফোল্ডা ডিলেট হয়ে যাওয়া, ফোল্ডারে অন্য কেউ যেন না ঢুকতে পারে ইত্যাদি ক্ষতি গ্রস্থতার হাত হতে রক্ষার জন্য নিরাপদ রাখে। এছাড়াও আরো বিভিন্ন সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়ে থাকে। যা পরবর্তীতে আলোচনা করা যেতে পারে ইনশাল্লাহ। 

             আমার সাইটে ভিজিট করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। 

Thursday, 21 November 2019

keyboard command

Keyboard command : How to work by Keyboard Command 

Dear Friends, welcome to my Keyboard command- How to work by Keyboard Command Post. If you work by computer, you must to need to know about keyboard command system. Smart computer operator and any type experienced persons use this system. If you have knowledge about keyboard command system, you can work very swiftly. This type working system is very popular. Smart computer operator and any type experienced persons use this system and work very swiftly. He can save time by using system. You can learn this type system from here. So, read this post carefully. I hope that, this post Keyboard Command- How to work by Keyboard Command will be helpful for you. Please, see the under description. 


Keyboard Command; Keyboard Command Guide; Keyboard Command System; Keyboard Command Rules; Keyboard Command Description;


Some Description of keyboard command : 
Ctrl (Control) + A for All select. (You can all text and document select)
Ctrl + B For Text Bold. 
Ctrl + C for text copy.  You can copy selected text. 
Ctrl + D = Font setting for Microsoft word. 
Ctrl + E = Text Center. 
Ctrl + F = Find (You can find word using by this system.) 
Ctrl + G= Go (For Go to command)
Ctrl + H= Replace (For Microsoft Word and History for internet browser) 
Ctrl + I = Italic (This type system for text italic design.)
Ctrl + J = Justify (For Microsoft Word and you can go Download Option by Ctrl + J) 
Ctrl + K = Hyperlink (For internet address linking by text.)
Ctrl + L = Left (Remove Text Left Side by this (Microsoft word) 
Ctrl + M = Move (Text Moving for (Microsoft word) 
Ctrl + N = New (To crate new page for (Microsoft word document) 
Ctrl + O = Open (It is for Open File or Folder of computer). 
Ctrl + P = Print (For Printing Document) 
Ctrl + Q = Quite 
Ctrl + R= Right (Text Moving for right side.)
Ctrl + S = Save (This command for Document Saving)
Ctrl + U = Underline (For Text Underlining)
Ctrl + V = Paste
Ctrl + W = Exit (Exit From File, Folder, MS, Word, Excel, PowerPoint, Internet Browser and other Program. 
Ctrl + Alt (Alter) + Delete for Restart Computer. 

Inshallah, I shall Add more information in future. Thank you very much for visit our web site. 


What is Antivirus - এন্টিভাইরাস কি ?

What is Antivirus - এন্টিভাইরাস কি ? বা এন্টিভাইরাস কাকে বলে ? 

উত্তর : সাধারণত এন্টিভাইরাস বলতে ভাইরাস দূর করার জন্য যে সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয় তাকে এন্টিভাইরাস বলে। এন্টিভাইরাসের মাধ্যমে আমরা কম্পিউটারকে ভাইরাস মুক্ত করতে পারি। ভাইরাস আক্রান্ত কম্পিউটার ঠিকভাবে কাজ করে না। কোন কোন সময় স্লো হয়ে যায়, কোন কোন সময় হ্যাং হয়ে যায়। আবার কোন কোন সময় কম্পিউটারের ডাটা তথ্যাদি খুজে পাওয়া যায় না। আবার অনেক সময় ভাইরাস আক্রান্ত কম্পিউটারে বেশি বেশি ফাইল দেখায়। অনেক সময় ফাইল হারিয়ে যায় অথচ, ফাইল ক্রপ্ড (Cropped)  হয়ে যায়। ফলে ঐ ফাইল আর কাজ করে না। অনেক সময় ভাইরাস হার্ড ডিস্ককে নস্ট করে ফেলে। এভাবে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ফাইলগুলি হারিয়ে যায় বা নষ্ট হয়ে যায়। যার ফলে ছোট থেকে অনেক বড় ধরণের সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। এইসব সমস্যা দূর করার জন্য প্রয়োজন এন্টিভাইরাসের। তবে, বাজারে বিভিন্ন ধরনের এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার পাওয়া যায়। এসব সফটওয়্যার ব্যবহার করে কম্পিউটারকে ভাইরাস মুক্ত করা যায়। তবে, সবগুলি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার-ই ভাল নয়। কোন কোন এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ইন্সটল করা থাকলে সেই সফটওয়্যার, বিভিন্ন ফাইল পত্রাদি খেয়ে ফেলে। ফলে ঐসকল ফাইল আর পাওয়া যায় না। এইজন অবশ্যই ভাল মানে এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার (Antivirus Software) ব্যবহার করা করতে হবে।  এন্টিভাইরাস সম্পর্কে অবহিত করার জন্য এই পোস্টটি What is Antivirus - এন্টিভাইরাস কি ? বা এন্টিভাইরাস কাকে বলে ? আপনাদের জন্য তৈরি করলাম। আশা করি, এই পোস্টটি পড়ে উপকৃত (Benefited) হতে পারবেন ইনশাল্লাহ। 

What is Antivirus - এন্টিভাইরাস কি ? বা এন্টিভাইরাস কাকে বলে ? What is Antivirus, এন্টিভাইরাস কি ? বা এন্টিভাইরাস কাকে বলে ?; এন্টিভাইরাস কিভাবে কাজ করে;


 আসুন কিছু এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার এর নাম আমরা জেনে নেই। 

   ১। ক্যাসপাস্কি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার  (Kaspersky Antivirus Software)
   ২। এভিজি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার (AVG Antivirus Software)
   ৩। ই-স্ক্যান এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার (E-Scan  Antivirus Software)
   ৪। ই-সেট  এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার (E-Set  Antivirus Software)
   ৫। এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার (Avira Antivirus Software)
   ৬। বিট বাইন্ডার 
   ৭। ৩৬০ সিকিউরিটি (360 ‍Security Software) 
   ৮। পান্ডা এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার (Panda Antivirus Software) 
   ৯। নর্টন (Norton Antivirus) 
   ১০। এ্যাভাস্ট এন্টিভাইরাস (Avast Antivirus software) ইত্যাদি। 
উপরোক্ত এন্টিভাইরাস ছাড়াও আরও অনেক প্রকার এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার আছে। যেগুলি ব্যবহার করে আমরা কম্পিউটারকে ভাইরাস মুক্ত রাখতে পারি। তবে এদের কোন কোন টা কম্পিউটারকে স্লো করে ফেলে আবার সফটওয়্যারকে খেয়ে ফেলে। এব্যাপারে বিস্তারিত জানতে কমেন্ট বক্সে লিখুন। ধন্যবাদ আমাদের সাইটে ভিজিট করার জন্য। 


Saturday, 16 November 2019

ভাইরাস কি বা কম্পিউটার ভাইরাস কি : What is virus

ভাইরাস কি, কম্পিউটার ভাইরাস কি : What is virus - Computer 

স্বাগতম বন্ধুরা আমার ভাইরাস কি, কম্পিউটার ভাইরাস কি : What is virus - Computer Virus পোস্টে। আশা করি এই উপকারী পোস্টের মাধ্যমে আপনারা উপকৃত হতে পারবেন ইনশাল্লাহ। তাই আপনারদের জন্য এই পোস্টটি পাবলিশ করলাম। মনোযোগ দিয়ে পড়ুন। ইনশাল্লাহ অনেক কিছু জানতে পারবেন্। 

প্রশ্ন : ভাইরাস কি বা  কম্পিউটার ভাইরাস কি বা কম্পিউটার ভাইরাস কাকে বলে ? বিবরণ দাও। 
উত্তর : ইংরেজি ভাইরাস (VIRUS) Vital Information Resources Under Seize. অর্থ্যাৎ গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাদি বা তথ্য সমূহ জব্দকরণ। আমরা সাধারণত ভাইরাস বলতে বুঝি এক ধরণের প্রোগ্রাম। যা  কম্পিউটারে অস্বস্তিকর, বিরক্তিকর, অপ্রীতিকর কাজ করে। অথবা, ভাইরাস আক্রান্ত কম্পিউটারে বিভিন্ন ফাইল বা তথ্যাদি হারিয়ে যায়। আবার কোন কোন সময় অতিরিক্ত ফাইল বা তথ্যাদি দেখায়। মানে কম্পিউটারে রাখা ফাইলগুলিকে নস্ট করে ফেলে।নিম্নে ভাইরাস আক্রান্ত কম্পিউটারের লক্ষণ গুলি তুলে ধরা হলো:  

What is virus; Computer Virsu; ভাইরাস কি; ভাইরাস কাকে বলে; ভাইরাসের লক্ষণ ‍গুলি কি কি; What is the couses of virus; What Antvirus; Best Antivirus; https:www.meritcom.blogspot.com


১।  কম্পিউটার স্লো হয়ে যাওয়া: ভাইরাস আক্রান্ত কম্পিউটার অনেক সময় স্লো  (Slow) হয়ে যায় ঠিক মত              কাজ করা যায় না। খুব ধীরে ধীরে কাজ করে। ফলে কম্পিউটার ব্যবহারকারী খুব বিরক্তিবোধ করে। কাজের সময় নানারকম বিড়ম্বনায় ফেলে।

২। কম্পিউটার হঠ্যা রিস্টার্ট নেয়: ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত হওয়ার কারণে অনেক সময় কম্পিউটার রিস্টার্ট নিয়ে        থাকে। কাজে মধ্যে হঠাৎ করে রিস্টার্ট নিয়ে থাকে। যা যথেষ্ট বিরক্তিকর, অস্বস্তিকর ও বটে
৩। কম্পিউটারে রাখা ডকুমেন্টস (Documents) গুলি নস্ট করা: কম্পিউটারে রাখা ফাইল, ডকুমেন্টস ইত্যাদি ভাইরাস জনিত কারণে নস্ট হয়ে যায়। ফলে ঐসকল ফাইল দিয়ে আর কাজ করা যায় না। এতে করে বিশেষ ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয়।
৪। কম্পিউটার হ্যাং করে ফেলা: কম্পিউটার ভাইরাস আক্রান্ত হওয়ার কারণে অনেক সময় কম্পিউটার হ্যাং হয়ে যায়। ঠিকমত কাজ করে না। কম্পিউটার অচল হয়ে যায়। যদিও বিভিন্ন পদ্ধতির মাধ্যমে তা ঠিক করা যায়।
৫। ফাইল বা তথ্য  হারিয়ে যাওয়া : কোন কোন সময় ভাইরাস দ্বারা কম্পিউটার আক্রান্ত হলে অনেক ফাইল বা তথ্যাদি হারিয়ে যায়।
৬। বেশি বেশি ফাইল দেখা : কম্পিউটার ভাইরাস আক্রান্ত হলে অনেক সময় বেশি বেশি ফাইল দেখা যায়। এটাও একটা বিরক্তি কর ব্যাপার।
এছাড়াও আরো অনেক সমস্যা দেখা দেয়। তবে ভয়ের কোন কারণ নাই। ভাইরাস দূর করার জন্য বিভিন্ন পদ্ধতি আছে যে গুলি ব্যবহার করে আমরা কম্পিউটারকে ভাইরাস মুক্ত করতে পারি। তাই আমাদের জানা দরকার কিভাবে কম্পিউটারকে ভাইরাস মুক্ত রাখা যায় বা এ থেকে পরিত্রাণ পাওয়া যায়। এব্যাপারে সচেতন থাকলে কম্পিউটার ভাইরাস মুক্ত রাখা সম্ভব। ভাইরাস কিভাবে দূর করা যায় বা ভাইরাস যাতে কম্পিউটারে প্রবেশ করতে না পারে সেজন্য আমরা যেসব পদ্ধতি ব্যবহার করতে পারি তা পরবর্তীতে আমরা আলোচনা করবো ইনশাল্লাহুল আজীজ।
এই পোস্টের প্রধান টপিক হলো : ভাইরাস কি বা কম্পিউটার ভাইরাস কি : What is virus - Computer Virus.

কম্পিউটার ভাইরাস কি ? এটা কি কোন রোগ জীবানু না অন্য কিছু বা কোথা থেকে আসে এই ভাইরাস ? 

উত্তর: ভাইরাস এক ধরণের প্রোগ্রাম। এটা কোন রোগের জীবাণু নয়। এখন প্রশ্ন হলো কোথা থেকে এই ভাইরাস আসে ? এই ভাইরাস মানুষই তৈরি করে। তৈরি করে বিভিন্ন মাধ্যমে তথা বিভিন্ন ডিভাইসে, ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেয়। এইসব জায়গা থেকে কম্পিউটার ভাইরাস আক্রান্ত হয়। তাই ইন্টারনেট ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমাদের বিশেষভাবে সচেতন থাকতে হবে। পেনড্রাইভ বা অন্যান্য যন্ত্রাংশ ব্যবহার করার ক্ষেত্রে অবশ্যই ফরম্যাট দিতে হবে। অর্থ্যাৎ মেমরি জাতীয় জিনিস ব্যবহারের পূর্বে ফরম্যাট দিতে হবে। তাছাড়া ভাইরাস দুর করার ক্ষেত্রে বাজারে নানা প্রকার এন্টিভাইরাস পাওয়া যায়। সেইসব এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করে কম্পিউটারকে ভাইরাস মুক্ত রাখা যায়। 







Friday, 15 November 2019

কম্পিউটারের বিভিন্ন ডিভাইসের নাম কি কি ?

কম্পিউটারের বিভিন্ন ডিভাইসের নাম কি কি : কম্পিউটারের ডিভাইস গুলি কি কি ?  

উত্তর : নিম্নে কম্পিউটারের বিভিন্ন ডিভাইসের নাম বিবরণসহ উল্লেখ করা হলো : 

বন্ধুরা, আমার কম্পিউটারের বিভিন্ন ডিভাইসের নাম কি কি : কম্পিউটারের ডিভাইস গুলি কি কি পোস্টে আপনাকে স্বাগত। আশা করি এই পোস্টটি পড়ে আপনারা উপকৃত হবেন। 

১। সিপিইউ (CPU) : ইংরেজি CPU = (সেন্ট্রাল প্রোসেসিং ইউনিট- Central Processing Unit) বা কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়া অংশ বা কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়া বিভাগ। সিপিইউ হলো কম্পিউটারের প্রাণ। অপারেটরের দেওয়া তথ্য কম্পিউটার দ্রুত গতিতে, নির্ভূলভাবে এবং কম সময়ে তথ্য প্রক্রিয়া করে থাকে। কম্পিউটারে দেওয়া যাবতীয় তথ্যাদি সিপিইউ প্রক্রিয়া করে থাকে। সিপিইউ ছাড়া কম্পিউটার চলে না। কম্পিউটার চালনা করার সময় সিপিইউ গরম হয়ে যায়। তাই সিপিইউকে ঠান্ডা রাখার জন্য কুলিং ফ্যান ব্যবহার করা হয়। 
২। মনিটর : টিভির মত দেখতে যার ভিতর ছবি, ভিডিও, গেম, প্রোগ্রাম ইত্যাদি দেখা যায় তাকে মনিটর বলে। মনিটর একটি আউটপুট ডিভাইস। এর মাধ্যমে আমরা কম্পিউটারের প্রক্রিয়াকৃত কাজ গুলি সহজে দেখতে পারি। বিজ্ঞান মনিটর আবিষ্কার করে আমাদের কাজকে আরো বেশি বেগবান ও শক্তিশালী করেছে। কারণ, মনিটর না থাকলে আমরা কোন তথ্য দেখতে পারতাম না। মনিটরের মাধ্যমে তথ্য দেখে তার ভূল সঠিক নির্ণয় করা সহজ হয়।
বাজারে বিভিন্ন প্রকার মনিটর পাওয়া যায়। যা দ্বারা আমরা কম্পিউটার চালাতে পারি। নিম্নে কয়েক প্রকার মনিটরের বিবরণ দেওয়া হলো : 
পিকচার টিউবের উপর ভিত্তি করে মনিটর দুই প্রকার। যথা 
  ক) সিআরটি মনিটর: যে মনিটরে পিকচার টিউব লাগানো থাকে এবং যে মনিটরের পাছা পিছনের দিকে চওড়া তাকে সিআরটি মনিটর বলে। বর্তমানে সিআরটি মনিটরের উrপাদন বন্ধ। কারণ, এই প্রকার মনিটর বেশি ওজন ও বেশি জায়গা দখল করে। স্থান সংকুলান বহনে অসুবিধা হওয়ায় এই প্রকারের মনিটরের rপাদন বন্ধ হওয়ায় বাজার এই মনিটর নতুন পাওয়া যায় না। 
 খ) ফ্ল্যাট প্যানেল মনিটর: এই শ্রেণীর মনিটর বা ফ্ল্যাট প্যানেল মনিটরে কোন পিকচার টিউব থাকে না। পিকচার টিউব (Picture Tube) না থাকায় এই শ্রেণীর মনিটর খুব জনপ্রিয়তা পেয়েছে। কারণ, এই মনিটর ফ্ল্যাট বা চ্যাপ্টা হওয়ায় কম জায়গা দখল করে এবং দেখতেও সুন্দর আর ওজনেও হালকা। তাছাড়া এই শ্রেণীর মনিটর বিদ্যুr  কম খরচ করে। তাই সব দিক থেকেই সুবিধা থাকায় ফ্ল্যাট প্যানেল মনিটরের জনপ্রিয়তা ও গ্রহণযোগ্যতা ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। 

৩। কী-বোর্ড: ক্যালকুলেটরের মত দেখতে বিভিন্ন অক্ষরের এবং অন্যান্য বাটুন যুক্ত ডিভাইসটি যেটি কম্পিউটার টাইপ বা লেখা লেখির ক্ষেত্রে এবং অন্যান্য ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয় তাকে কী-বোর্ড (Keyboard) বলে। কী-বোর্ডে ইংরেজি ২৬টি অক্ষর, ৯টি ডিজিট বা সংখ্যা, Ctrl (Control-কন্ট্রোল), Alt (Alter- অল্টার), উইন্ডোজ লোগো কী (বাম সাইডে Ctrl এবং  Alt এর মাঝখানের বাটুনটি হলো উইন্ডোজ  লোগো কী। অল্টার এবং কন্ট্রোল কী দ্বারা বিভিন্ন কাজ খুব দ্রুত গতিতে এবং কম সময়ে করা হয়ে থাকে। অল্টার কী দ্বারাও বিভিন্ন কাজ সহজে এবং দ্রুত গতিতে করা যায়। পাশাপাশি উইন্ডোজ লোগো কী দ্বারাও বিভিন্ন কাজ করা যায়। এছাড়াও ডানপাশে তীর → ↑↓← চিহ্নযুক্ত চারদিকের চারটি ডিরেকশন  (Direction Key) কী। ইহা ছাড়াও আছে ESC (ইস্কেপ কী) এবং ফাংশন কী (Function Key)  F1, F2, F3, F4, F5, F6, F7, F8, F9, F10, F11, F12. এই কী গুলিকে ফাংশন কী বলে। আরো আছে- ‍শিফট কী (Shift Key), ট্যাব কী - Tab Key, (ক্যাপস লক কী- Caps Lock Key, ইন্টার কী- Enter Key, Numaric Key, (স্পেসবার) নিউমেরিক কী), Space Bar (স্পেসবার) ইত্যাদি। 

Best Keyboard; Latest Keyboard; Awesome Keyboard; keyboard; কী বোর্ড কী; কী বোর্ড কাকে বলে; কী বোর্ড কত প্রকার, কী বোর্ডের প্রকারভেদ; Clssification Keyboard ; How many kinds of computer; Kinds of computer; Computer Device

বাজারে বিভিন্ন প্রকার কী-বোর্ড কিনতে পাওয়া যায়। তন্মধ্যে A4 Tech কীবোর্ডটিতে টাইপ করে খুব মজা পাওয়া যায়। আমি যত কী-বোর্ড ব্যবহার করেছি তার মধ্যে সবচেয়ে বেশি কাজ করে মজা পেয়েছি এবং এই কীবোর্ড নষ্টও হয় খুব কম। তাই এই ধরণের কীবোর্ড কেনাই সবচেয়ে বেশি উত্তম বলে আমি মনে করি। তবে, অন্যান্য কীবোর্ড ও কেনা যেতে পারে। 

৪। মাউস : (Mouse) : মাউস : (Mouse) অর্থ নেংটি ইঁদুর। ইঁদুরের মত দেখতে এই ডিভাইসটি ব্যবহার করে আমরা সহজে এবং দ্রুত গতিতে এবং অত্যন্ত কম সময়ে কাজ করতে পারি। কানেশনের উপর ভিত্তি করে মাউসকে দুইভাবে বিভক্ত করা যায়। যেমন- সাধারণ মাউস এবং ব্লুটুথ মাউস (Bluetooth mouse). বাজারে বিভিন্ন ব্রান্ডের মাউস পাওয়া যায়। তাদের মধ্যে A4 Tech (এফোর  টেক) মাউসটি বেশি জনপ্রিয়। এই মাউসটি আঁটি সাঁটি এবং নস্ট হয় কম। আমার চারটি কম্পিউটারের সবগুলিতেই এই মাউস ব্যবহার করে থাকি। উপরোক্ত সুবিধাগুলির কারণে আমি এই মাউস গুলি ব্যবহার করি। তবে, অন্যান্য ব্রান্ডের মাউস ও ব্যবহার করা যেতে পারে। 

৫। প্রিন্টার (Printer): প্রিন্টার একটি আউটপুট ডিভাইস। আউটপুট ডিভাইস মানে হলো যেসব ডিভাইস দিয়ে তথ্য, চিত্র, লেখা ইত্যাদি আউট করা হয় তাকে আউপুট ডিভাইস বলে। 

বাজারে বিভিন্ন ধরণের প্রিন্টার পাওয়া যায়। তার মধ্যে আমার অভিজ্ঞতায় EPSON L130 মডেলের প্রিন্টারটি বেশি ভাল লেগেছে। কারণ, আমি এই প্রিন্টারটি প্রায় দুই বছর ধরে ব্যবহার করছি। এই প্রিন্টার নষ্ট হয় কম। এর  কার্টিজ (Cartridge) এ কালি জমা থাকে না। প্রিন্টারের সাথে বাহিরে চারটি কালির রং বিশিষ্ট একটি কালির ড্রাম সেট করা থাকে। কালি এনে এই  ড্রামে ঢেলে দিলে সেখান থেকে প্রিন্ট হয়। তাই ঝামেলা খুব কম। তাই আমি এই প্রিন্টার কেনার জন্য রিকুয়ামেন্ট দিয়ে থাকি। তবে, বাজারে আরো অন্যান্য ব্রান্ডের ভাল প্রিন্টার আছে যা দেখে দেখে কেনা যেতে পারে। 
৬। স্ক্যানার (Scanner) : ছবি, ডকুমেন্ট, লেখা ইত্যাদি কম্পিউটারে প্রবেশ করানোর জন্য স্ক্যানার ব্যবহার করা হয়। অনেক ক্ষেত্রের প্রিন্টারের সাথে স্ক্যানার ব্যবহার করা হয়। স্কানার দ্বারা ডকুমেন্ট প্রিন্ট করার পর প্রিন্ট করা যায়। ইমেইলের মাধ্যমে বা অন্যান্য মিডিয়ার মাধ্যমে বিভিন্ন জায়গায় শেয়ার করা যায়।  এছাড়াও আরো বিভিন্ন কাজ করা যায়। 

বাজারে বিভিন্ন ব্রান্ডের বিভিন্ন স্ক্যানার পাওয়া যায়। আবার কোন কোন টা প্রিন্টারসহ স্ক্যানার পাওয়া যায়। অর্থ্যাৎ ডুয়েল সিস্টেমে কাজ করা যায়। আমি বর্তমানে যে স্ক্যানার ব্যবহার করছি সেটা হলো CanoScan LiDE 120। এই স্ক্যানারটি Canon ব্রান্ডের। এছাড়াও বহু ব্রান্ডের স্ক্যানার বাজারে পাওয়া যায়। 
আপনাকে ধন্যবাদ আমাদের সাইটে ভিজিট করার জন।